midway securities ltd.
স্টক * বন্ড * ইকুইটি ইনভেস্টমেন্ট * আইপিও * বাজার গবেষণা * ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট
|
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুর্বল মৌলভিত্তি ও লোকসানি কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিক ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর প্রচলিত দৈনিক সার্কিট ব্রেকার বা মূল্য পরিবর্তনের সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানিয়েছে ডিএসই। সূত্রে জানা গেছে, শেয়ারবাজারে কিছু দুর্বল কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও পতনের কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রায়ই ঝুঁকির মুখে পড়ছেন। একই সঙ্গে এসব শেয়ারে জল্পনা-কল্পনা ও কারসাজির অভিযোগও রয়েছে। একই সঙ্গে এসব শেয়ারের অস্থিরতা সামগ্রিক বাজারের স্থিতিশীলতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এমন পরিস্থিতিতে বাজারের স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করে স্টক এক্সচেঞ্জটি। এরই ধরাবাহিকতায় গত ১১ জুন বিএসইসির চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে ডিএসই জানিয়েছে, গত ৭ জুন বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে ডিএসইর রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স কমিটি এবং পরিচালনা পর্ষদ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৯ জুন অনুষ্ঠিত ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের ১১১৭তম সভায় দুর্বল পারফরম্যান্সকারী কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে বিদ্যমান সার্কিট ব্রেকার সীমা অর্ধেকে নামিয়ে আনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। সেইসঙ্গে বিষয়টি বিএসইসির কাছে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ডিএসইর প্রস্তাব অনুযায়ী, তিন ধরনের ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানিগুলোকে এই হ্রাসকৃত সার্কিট ব্রেকার সীমার আওতায় আনা যেতে পারে। সেগুলো হলো— স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অকার্যকর (নন-অপারেশনাল) কোম্পানি, টানা তিন অর্থবছর নিট লোকসানে থাকা কোম্পানি এবং ৩০ কোটি টাকার কম পরিশোধিত মূলধনসম্পন্ন কোম্পানি। এছাড়া বাজারের তারল্য বিবেচনায় পরিশোধিত মূলধনের সীমা ৩০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতে এ সীমা পুনর্বিবেচনা ও সংশোধন করা হতে পারে। ডিএসই মনে করে, বর্তমানে এসব কোম্পানির শেয়ারেও সাধারণ কোম্পানির মতো একই হারে সার্কিট ব্রেকার কার্যকর রয়েছে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলে দুর্বল আর্থিক অবস্থার কোম্পানিগুলোর শেয়ারে অতিরিক্ত জল্পনা-কল্পনা ও অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধি ও পতনের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বাজারে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, মূল্য কারসাজির সুযোগ কমানো এবং বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি হ্রাসেও সহায়ক হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ প্রস্তাবটি নিয়ে বিএসইসি সিদ্ধান্ত নেবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে শেয়ারবাজারে দুর্বল কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেনের ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু হতে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আল-আমিন আগামীর সময়কে বলেছেন, দুর্বল বা লোকসানি কোম্পানির শেয়ারদরে অস্বাভাবিক ওঠানামা ঠেকাতে সার্কিট ব্রেকার সীমা কমানোর প্রস্তাব স্বল্পমেয়াদে কিছু নিয়ন্ত্রণ আনতে পারে। তবে এটি সমস্যার মূল সমাধান নয়। প্রকৃত চ্যালেঞ্জ কোম্পানির দুর্বল ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সংকট ও পরিচালনা পর্ষদের অকার্যকারিতা। ‘শুধু শেয়ারের দামের গতি নিয়ন্ত্রণ করে কোম্পানিকে সুস্থ করা সম্ভব নয়। বরং নিয়ন্ত্রক সংস্থার উচিত দুর্বল কোম্পানিগুলোর অবস্থা মূল্যায়ন করে প্রয়োজন হলে বোর্ড পুনর্গঠন, নীতিগত সহায়তা এবং কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়া। একই সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় লেনদেন পুরোপুরি বন্ধ না করে কারসাজিমূলক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে আনা’, বলছিলেন ঢাবি অধ্যাপক। এ বিষয়ে জানতে ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা ফোন ধরেননি। Source: Agamirsomoy.com
0 Comments
Leave a Reply. |
Midway News TeamWe publish the latest stock market news to help you decide on your investment decisions. Archives
June 2026
Categories |