midway securities ltd.
স্টক * বন্ড * ইকুইটি ইনভেস্টমেন্ট * আইপিও * বাজার গবেষণা * ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট
|
দেশের শেয়ারবাজারে ভালো ও শক্তিশালী মৌল ভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানির অংশগ্রহণ বাড়াতে ডাইরেক্ট লিস্টিং বা সরাসরি তালিকাভুক্তি ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এতদিন সরাসরি তালিকাভুক্তির এই সুবিধাটি শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও, এবার যোগ্য বেসরকারি কোম্পানিগুলোকেও জটিল আইপিও প্রক্রিয়ার বাইরে সরাসরি শেয়ারবাজারে প্রবেশের সুযোগ দিতে প্রয়োজনীয় আইনগত কাঠামো সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে বিএসইসি। উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিন ধরে শেয়ারবাজারে আলোচিত একটি বড় নীতিগত পরিবর্তনের পথ খুলবে। বিএসইসির নতুন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি, ভালো সুশাসন ও বড় ব্যবসায়িক পরিসরের কোম্পানিগুলোকে দীর্ঘ ও জটিল আইপিও প্রক্রিয়ার বাইরে তুলনামূলক সহজ কাঠামোর মাধ্যমে শেয়ারবাজারে নিয়ে আসা। এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম আগামীর সময়কে বলেছেন, ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করে গঠিত কমিটি বিভিন্ন প্রস্তাব দেবে। পরে সে অনুযায়ী নেওয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর ৩০ জুলাই স্টক এক্সচেঞ্জের মেইন বোর্ডে ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কাঠামো পর্যালোচনা ও প্রণয়নের লক্ষ্যে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক বিএসইসির কমিশনার তানভীর হাবিব রহমান। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিএসইসি কমিশনার মো. নাফীজ আল তারিক, নির্বাহী পরিচালক মো. আবুল কালাম, অতিরিক্ত পরিচালক শেখ মো. লুৎফুল কবির এবং অতিরিক্ত পরিচালক মো. ইকবাল হোসাইন। কমিটির দাপ্তরিক ও সচিবালয়-সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন সহকারী পরিচালক বিভাস ঘোষ। আদেশে বলা হয়েছে, স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডে ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ সরাসরি তালিকাভুক্তির বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কাঠামো পর্যালোচনা ও প্রণয়নের লক্ষ্যে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হলো। কমিটিকে আদেশ জারির তারিখ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। জানা গেছে, ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের আওতায় কোন কোম্পানিকে যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে, শেয়ারের মূল্য কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, কত শতাংশ শেয়ার ছাড়তে হবে এবং বিদ্যমান ও নতুন বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ কীভাবে সুরক্ষিত হবে— এসব বিষয় নতুন আইনগত কাঠামোতে গুরুত্ব পাবে। সাধারণভাবে ডাইরেক্ট লিস্টিং বলতে কোনো কোম্পানির শেয়ার প্রচলিত প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া ছাড়াই নির্দিষ্ট শর্তে সরাসরি স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের জন্য তালিকাভুক্ত করার ব্যবস্থাকে বোঝায়। বিএসইসি নতুন কাঠামো প্রণয়ন করলে যোগ্য কোম্পানিগুলোর জন্য শেয়ারবাজারে প্রবেশের একটি বিকল্প পথ তৈরি হতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে ডাইরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির জন্য সীমিত। প্রচলিত ব্যবস্থায় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্ট শর্তে তাদের শেয়ারের একটি অংশ অফলোড করে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারে। বেসরকারি কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে সরাসরি তালিকাভুক্তির সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি এখন নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিবেচনাধীন। এদিকে স্টক এক্সচেঞ্জের প্রণীত ২০১৫ সালের লিস্টিং রেগুলেশনসের আওতায় বর্তমানে তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিদর্শন, ডিরেক্ট লিস্টিং ও ডিলিস্টিং পরিচালিত হচ্ছে। পরে শেয়ারবাজারে নতুন বেশ কয়েকটি বিধিমালা ও নীতিমালা প্রণীত হওয়ায় পুরনো লিস্টিং বিধিমালার সঙ্গে এসব নতুন বিধানের সামঞ্জস্যের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ কারণে বিএসইসি লিস্টিং বিধিমালায় বিচ্ছিন্নভাবে সংশোধনের পরিবর্তে সামগ্রিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) প্রয়োজনীয় সব সংশোধনী একত্র করে একটি সমন্বিত প্রস্তাব দিতে বলেছে বিএসইসি। এর আগে ডিএসই কোম্পানি পরিদর্শনে কমিশনের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া, বেসরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানির জন্য ডিরেক্ট লিস্টিংয়ের সুযোগ তৈরি এবং দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় ও নিয়ম না মানা কোম্পানিকে ডিলিস্টিংয়ের আওতায় আনার বিষয়ে পৃথক প্রস্তাব দিয়েছিল। এসব প্রস্তাবকে একটি কাঠামোর মধ্যে এনে লিস্টিং ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও বিনিয়োগকারীবান্ধব করার উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন। Source: agamirsomoy.com
0 Comments
Leave a Reply. |
Midway News TeamWe publish the latest stock market news to help you decide on your investment decisions. Archives
June 2026
Categories |